বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীরা প্রক্টরিয়াল বডির বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সড়কটিতে যানজটের সৃষ্টি হয়।
বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর দায়িত্ব পালনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের গাফিলতি ও অবহেলা লক্ষ্য করা গেছে। এ ঘটনায় দায়ী সদস্যদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
একই সঙ্গে নিহত শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাতের পরিবারকে ১ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানান আন্দোলনকারীরা।
পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে এসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দাবিগুলো বিবেচনার বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দেন। এরপর শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে নিলে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এর আগে সোমবার দুপুরে একই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে বিকেলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাতের আত্মার মাগফিরাত কামনায় ক্যাম্পাসে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো এখন আলোচনায় রয়েছে।
পূর্বের সংবাদটি-
বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনায় ববি শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত নিহত
https://slotbet.online/