বরিশাল ও বিশ্বকাপ ঘিরে সর্বশেষ আপডেট পড়ুন এখনই।

পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন দক্ষিণাঞ্চলের হাজারো মানুষ। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষগুলো পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে আবারও রাজধানী ও বিভিন্ন কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করায় বরিশাল নদী বন্দর ও বাস টার্মিনালগুলোতে বেড়েছে যাত্রীদের চাপ।
রোববার বিকেল থেকেই বরিশাল নদী বন্দরে রাজধানীমুখী যাত্রীদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকাগামী যাত্রীদের বহনের জন্য নদী বন্দরে অপেক্ষায় ছিল ঢাকা-বরিশাল রুটের আটটি লঞ্চ। অফিস খোলার আগমুহূর্তে কর্মস্থলে ফিরতে বিপুল সংখ্যক মানুষ নদী বন্দরে ভিড় করছেন।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোনো লঞ্চে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
লঞ্চযাত্রীরা জানান, প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ শেষে তারা কর্মস্থলে ফিরছেন। অনেক যাত্রী ডেকে জায়গা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করলেও কেবিনের অধিকাংশ টিকিট আগেই বুকিং হয়ে যাওয়ায় কিছুটা ভোগান্তির কথাও জানিয়েছেন।
অন্যদিকে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল-এও বেড়েছে ঢাকাগামী যাত্রীদের চাপ। টার্মিনালে গিয়ে দেখা গেছে, অনেকে কাউন্টারে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করছেন, আবার কেউ সরাসরি গাড়িতে উঠছেন।
বাস কাউন্টার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ঈদের ছুটি শেষে ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ বেড়েছে এবং সোমবার থেকে এ চাপ আরও বাড়তে পারে। তারা দাবি করেন, সরকার নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হচ্ছে।
তবে কয়েকজন যাত্রীর অভিযোগ, কিছু লোকাল বাস নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেশি ভাড়া আদায়ের চেষ্টা করছে। পাশাপাশি উন্নতমানের বাসের টিকিট পাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।
বরিশাল কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাস মালিক সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, “আগামী সোমবার থেকে যাত্রীর চাপ আরও বাড়বে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে আমরা কাজ করছি এবং সরকার নির্ধারিত ভাড়া নিশ্চিতের বিষয়েও নজর রাখা হচ্ছে।”
এদিকে ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষ যেন নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারেন, সেজন্য প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো নিরাপত্তা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এই খবর সম্পর্কে আপনার মতামত নিচে কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করুন।