দাফন-জানাজায় আপত্তি নয়, ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান নিয়েই বিতর্ক - বরিশাল সংবাদ
- প্রকাশের সময়: 05:14:54 am, Monday, 26 October 2026
- / 29 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: যুদ্ধাপরাধ মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে করা মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী। তাঁর দাবি, মানিক পশারীর জানাজা বা দাফনে তাঁদের কোনো আপত্তি ছিল না; আপত্তি ছিল তাঁকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন নিয়ে।
সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে মাসুদ সাঈদী এ দাবি করেন। পোস্টে তিনি মানিক পশারীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি, মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা এবং তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
মাসুদ সাঈদীর অভিযোগ, মানিক পশারী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছিলেন। তাঁর দাবি, ট্রাইব্যুনালে মানিক পশারী বলেছিলেন, তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ করেননি, তবে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছিলেন। এ বিষয়ে তৎকালীন সংসদ সদস্য এ কে এম এ আউয়ালের দেওয়া একটি ডিও লেটারের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
ফেসবুক পোস্টে মাসুদ সাঈদী আরও দাবি করেন, মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার উদ্যোগের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন আপত্তি জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি এবং জামায়াতে ইসলামী পরিস্থিতি শান্ত রাখতে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের চেষ্টা করেন।
পোস্টে তিনি মানিক পশারীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া তদন্ত, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাই এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি মানিক পশারীর নাম মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট থেকে বাতিল এবং তাঁকে দেওয়া রাষ্ট্রীয় সুবিধা বন্ধেরও দাবি করেন।
তবে মানিক পশারীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির বৈধতা, ট্রাইব্যুনালে তাঁর সাক্ষ্যের পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য এবং তাঁকে গার্ড অব অনার দেওয়ার বিষয়ে প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে অভিযোগগুলোর সত্যতা সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
























