বরিশাল প্রতিনিধি:বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর) পরিবর্তনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পটুয়াখালীর ছয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বরিশাল বিভাগীয় প্রশাসন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের একান্ত সচিব ও সহকারী কমিশনার তালুকদার মো. ইনতেজার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিভাগীয় মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের শাস্তি দিয়েছেন।
শাস্তিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন—
বিভাগীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শাস্তিপ্রাপ্ত ছয় কর্মকর্তার ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি বন্ধ থাকবে।
এ ছাড়া শাস্তির মেয়াদকালে তারা কোনো পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন না। তাদের সার্ভিস বইয়েও শাস্তির আদেশ লিপিবদ্ধ করা হবে।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পটুয়াখালীর ওই ছয় ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন বছরের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন বা এসিআরে প্রতিস্বাক্ষরকারী কর্মকর্তার দেওয়া নম্বর অনুমোদন ছাড়াই পরিবর্তনের অভিযোগ ওঠে।
এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধির লঙ্ঘন বলে বিভাগীয় প্রশাসন জানিয়েছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক বিভাগীয় মামলা করা হয়। পরবর্তী সময়ে তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম বা বিধিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রেও তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় সরকারি দপ্তরে এসিআর প্রণয়ন ও সংরক্ষণে বিধি মেনে চলার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
https://slotbet.online/