ঢাকা 8:17 am, Thursday, 1 October 2026
শিরোনাম:
বরিশাল সিটি নির্বাচন: বিএনপিতে ১১ মনোনয়নপ্রত্যাশী, মাঠে জামায়াত-এনসিপি বরিশালে বাজার মনিটরিং জোরদারের নির্দেশ, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি বরিশালে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট, বাড়তি দামেও মিলছে না সিলিন্ডার ২৪ বছর পর ফিরছে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ বরিশাল অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি ৪০ শতাংশ, দিনরাত ভয়াবহ লোডশেডিং বরিশালে গোপন বৈঠক থেকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১২ নেতাকর্মী আটক বরিশালে বালু সরবরাহের সব পাইপলাইন অপসারণের নির্দেশ বরিশাল নগরীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬ বরিশালে সিজারিয়ানের পর প্রসূতির মৃত্যু,চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ বরিশালসহ চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস
সর্বশেষ
বরিশাল সিটি নির্বাচন: বিএনপিতে ১১ মনোনয়নপ্রত্যাশী, মাঠে জামায়াত-এনসিপি বরিশালে বাজার মনিটরিং জোরদারের নির্দেশ, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি বরিশালে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট, বাড়তি দামেও মিলছে না সিলিন্ডার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিং: ৪৮ শিক্ষার্থীর শাস্তি, শোকজ ৬ বরিশালে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা ২৪ বছর পর ফিরছে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ বরিশালে মাদকসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার বরিশালে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার বরিশালে শেখ মুজিবের জন্মদিনে কেক কাটার মামলা: যুবলীগের তিন নেতা কারাগারে বরিশাল অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি ৪০ শতাংশ, দিনরাত ভয়াবহ লোডশেডিং

ফেইজবুক পেইজ- Barishal Sangbad Digital

বরিশালে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা

সংবাদকর্মী
  • প্রকাশের সময়: 01:24:06 pm, Wednesday, 30 September 2026
  • / 180 Time View
🚨 ব্রেকিং নিউজ: আজকের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন 🔰 ধন্যবাদ 🔰
বরিশাল নিউজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশাল নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দৈনিক বরিশাল মুখপত্রের বার্তা সম্পাদক সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মুরাদ ও যুগ্ম বার্তা সম্পাদক সাংবাদিক সাইফুল অপূর্বর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের অভিযোগ, সংঘর্ষের ভিডিও ধারণের সময় একদল ব্যক্তি তাদের ঘিরে ধরে মারধর করেন। এ সময় তাদের ‘ভুয়া সাংবাদিক’ ও ‘আওয়ামী লীগের লোক’ বলে অপমানজনক মন্তব্য করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

অভিযোগে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন—বাবুল মোহরী, সানি, দিপু, জুয়েল, জাকির ও হায়দারসহ আরও কয়েকজন।

সাংবাদিকদের ভাষ্য, সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালনকালে তারা ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করছিলেন। ভিডিও ধারণের বিষয়টি দেখতে পেয়ে কয়েকজন তাদের ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ।

একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে সংঘর্ষের ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগও করেছেন তারা। পরে তাদের মারধর করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যেতে বাধ্য করা হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

তাদের আরও অভিযোগ, হামলার সময় কয়েকজনকে ডেকে এনে নিজেদের ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয় এবং সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়।

ঘটনার পর সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে সংবাদ সংগ্রহে বাধা, হামলার অভিযোগ এবং ধারণ করা সংবাদচিত্র মুছে ফেলার বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, ঘটনার বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে প্রত্যক্ষদর্শী, ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্ন, রাজনৈতিক কোনো পক্ষের সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ করাকে কেন্দ্র করে একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা বা তার ধারণ করা সংবাদচিত্র মুছে ফেলার অভিযোগ কতটা গ্রহণযোগ্য? তাদের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের ভূমিকা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার নেপথ্যে কারা ছিলেন, হামলায় কারা অংশ নিয়েছিলেন এবং সাংবাদিকদের ধারণ করা ভিডিও কেন মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।

ট্যাগ :

এই সংবাদটি আপনার সোসালমিডিয়া শেয়ার করুন

বরিশাল নিউজ

বরিশালে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা

প্রকাশের সময়: 01:24:06 pm, Wednesday, 30 September 2026

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশাল নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দৈনিক বরিশাল মুখপত্রের বার্তা সম্পাদক সাংবাদিক আসাদুজ্জামান মুরাদ ও যুগ্ম বার্তা সম্পাদক সাংবাদিক সাইফুল অপূর্বর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের অভিযোগ, সংঘর্ষের ভিডিও ধারণের সময় একদল ব্যক্তি তাদের ঘিরে ধরে মারধর করেন। এ সময় তাদের ‘ভুয়া সাংবাদিক’ ও ‘আওয়ামী লীগের লোক’ বলে অপমানজনক মন্তব্য করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা।

অভিযোগে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন—বাবুল মোহরী, সানি, দিপু, জুয়েল, জাকির ও হায়দারসহ আরও কয়েকজন।

সাংবাদিকদের ভাষ্য, সংবাদ সংগ্রহের দায়িত্ব পালনকালে তারা ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করছিলেন। ভিডিও ধারণের বিষয়টি দেখতে পেয়ে কয়েকজন তাদের ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ।

একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন নিয়ে সংঘর্ষের ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগও করেছেন তারা। পরে তাদের মারধর করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যেতে বাধ্য করা হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

তাদের আরও অভিযোগ, হামলার সময় কয়েকজনকে ডেকে এনে নিজেদের ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয় এবং সাংবাদিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়।

ঘটনার পর সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে সংবাদ সংগ্রহে বাধা, হামলার অভিযোগ এবং ধারণ করা সংবাদচিত্র মুছে ফেলার বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, ঘটনার বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে প্রত্যক্ষদর্শী, ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্ন, রাজনৈতিক কোনো পক্ষের সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণ করাকে কেন্দ্র করে একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা বা তার ধারণ করা সংবাদচিত্র মুছে ফেলার অভিযোগ কতটা গ্রহণযোগ্য? তাদের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের ভূমিকা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার নেপথ্যে কারা ছিলেন, হামলায় কারা অংশ নিয়েছিলেন এবং সাংবাদিকদের ধারণ করা ভিডিও কেন মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।