ভোলার মনপুরায় গভীর রাতে দুই সন্তানের জননী এক বিধবা নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েন ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। পরে স্থানীয়রা ওই নারীর সঙ্গে তার বিয়ে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার গভীর রাত আনুমানিক ২টার দিকে উপজেলার বিচ্ছিন্ন কলাতলী ইউনিয়নে বাতানখাল এলাকায় ওই বিধবা নারীর ঘর থেকে স্থানীয়রা ওই জামায়াত নেতাকে আটক করেন।
বুধবার সকালে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন কলাতলী ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ন ও সাবেক মেম্বার আছিউল হক।
ধরা পড়া ওই জামায়াত নেতা হলেন উপজেলার ৫নং কলাতলী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মো. শোয়াইব। তিনি পেশায় একজন স্থানীয় পল্লি চিকিৎসক। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে জামায়াত নেতা শোয়াইব ওই বিধবা নারীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক করে অনৈতিক কাজ করছেন। মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে ওই নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন স্থানীয়রা। পরে ওই জামায়াত নেতা ও বিধবা নারীর সম্মতিতে কাজী ডেকে বিয়ে দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আমিনুল ইসলাম জসিম জানান, এ সমস্ত অপকর্মের দায় জামায়াত নেবে না। তবে ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানান তিনি।
মনপুরা থানার ওসি আহসান কবির জানান, ঘটনাটি শুনেছি। তবে কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি।
https://slotbet.online/