


বরগুনা প্রতিনিধি : দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এক সময় মাদকের আড্ডা ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র ছিল—এমন মন্তব্য করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের কাটাখালী এলাকায় অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
বরগুনা-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদের সমর্থনে আয়োজিত ওই জনসভায় শামীম আহসান বলেন, ডাকসু নির্বাচনের পর ইসলামী ছাত্রশিবির বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশে পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “ডাকসু নির্বাচনের আগে যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল—ইসলামী ছাত্রশিবির সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন করেছে। তাই বাংলাদেশ থেকে সকল প্রকার অন্যায়, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি দূর করতে জামায়াতে ইসলামী সক্ষম।”
জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী রাজনীতিকে ইবাদতের অংশ হিসেবে দেখে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে রাজনীতি করে। তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ঈমানের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।
স্থানীয়দের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে পরিবর্তন আপনারা দেখেছেন, সেখানে ছাত্রশিবিরের পক্ষে শিক্ষার্থীরা ভোট দিয়েছে। তাদের বাবা-মায়েরাও আপনাদের মতো সাধারণ মানুষ। ডাকসুতে যদি ছাত্রশিবির নেতৃত্ব দিতে পারে, তাহলে আগামী দিনেও জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে—ইনশাআল্লাহ।”
জামায়াত নেতার এই বক্তব্য ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।