ঢাকা 5:41 am, Saturday, 3 October 2026
শিরোনাম:
বরিশালে ১৮টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার, প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর বরিশাল ভাটিখানায় তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার বরিশাল সিটি নির্বাচন: বিএনপিতে ১১ মনোনয়নপ্রত্যাশী, মাঠে জামায়াত-এনসিপি বরিশালে বাজার মনিটরিং জোরদারের নির্দেশ, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি বরিশালে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট, বাড়তি দামেও মিলছে না সিলিন্ডার ২৪ বছর পর ফিরছে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ বরিশাল অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি ৪০ শতাংশ, দিনরাত ভয়াবহ লোডশেডিং বরিশালে গোপন বৈঠক থেকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ১২ নেতাকর্মী আটক বরিশালে বালু সরবরাহের সব পাইপলাইন অপসারণের নির্দেশ বরিশাল নগরীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬
সর্বশেষ
বরিশালে ১৮টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার, প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর বরিশালের নিখোঁজ তিন স্কুলছাত্রী ঢাকা থেকে উদ্ধার বরিশাল ভাটিখানায় তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার বরিশাল সিটি নির্বাচন: বিএনপিতে ১১ মনোনয়নপ্রত্যাশী, মাঠে জামায়াত-এনসিপি বরিশালে বাজার মনিটরিং জোরদারের নির্দেশ, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি বরিশালে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট, বাড়তি দামেও মিলছে না সিলিন্ডার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিং: ৪৮ শিক্ষার্থীর শাস্তি, শোকজ ৬ বরিশালে সংঘর্ষের ভিডিও ধারণ করায় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা ২৪ বছর পর ফিরছে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ বরিশালে মাদকসহ গ্রেপ্তার ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

ফেইজবুক পেইজ- Barishal Sangbad Digital

অনলাইন জুয়া ও বেটিং বন্ধে কঠোর আইন, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ডের বিধান

সংবাদকর্মী
  • প্রকাশের সময়: 11:48:54 pm, Tuesday, 23 June 2026
  • / 137 Time View
🚨 ব্রেকিং নিউজ: আজকের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন 🔰 ধন্যবাদ 🔰
বরিশাল নিউজ

দেশে অনলাইন জুয়া, বেটিং, ম্যাচ ফিক্সিং ও ডিজিটাল মাধ্যমে পরিচালিত বিভিন্ন ধরনের জুয়া প্রতিরোধে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। নতুন আইনে জুয়া-সংক্রান্ত ২৪ ধরনের কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং অপরাধের ধরন অনুযায়ী ১৪ ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংসদের আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারবেন।
অন্যদিকে, অনলাইন জুয়া বা দূরবর্তী জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততার জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
এছাড়া অনলাইন বেটিং বা পণভিত্তিক জুয়ার সঙ্গে জড়িতদের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড এবং পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিলে ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিং-কেও গুরুতর অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড অথবা এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে কার্যকর থাকা The Public Gambling Act, 1867 দেড় শতাধিক বছরের পুরোনো আইন। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অনলাইন জুয়া, স্পোর্টস বেটিং, ভার্চ্যুয়াল ক্যাসিনো, ক্রিপ্টোকারেন্সিভিত্তিক জুয়া এবং ডিজিটাল আর্থিক জালিয়াতি মোকাবিলায় বিদ্যমান আইন যথেষ্ট নয়।
তিনি আরও বলেন, ভিপিএন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভুয়া মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট, বায়োমেট্রিক জালিয়াতি ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত জুয়া ও অর্থ পাচার দেশের সামাজিক শৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং তরুণ সমাজের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।
সরকারের মতে, আধুনিক প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে জুয়ার ধরন ও পরিসর ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। তাই জনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক ক্ষতি প্রতিরোধ এবং তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে সময়োপযোগী ও সমন্বিত আইন প্রণয়ন প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
নতুন আইন কার্যকর হলে অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর অভিযান আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগ :

এই সংবাদটি আপনার সোসালমিডিয়া শেয়ার করুন

বরিশাল নিউজ

অনলাইন জুয়া ও বেটিং বন্ধে কঠোর আইন, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ডের বিধান

প্রকাশের সময়: 11:48:54 pm, Tuesday, 23 June 2026

দেশে অনলাইন জুয়া, বেটিং, ম্যাচ ফিক্সিং ও ডিজিটাল মাধ্যমে পরিচালিত বিভিন্ন ধরনের জুয়া প্রতিরোধে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। নতুন আইনে জুয়া-সংক্রান্ত ২৪ ধরনের কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং অপরাধের ধরন অনুযায়ী ১৪ ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করেন। পরে বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংসদের আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারবেন।
অন্যদিকে, অনলাইন জুয়া বা দূরবর্তী জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততার জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
এছাড়া অনলাইন বেটিং বা পণভিত্তিক জুয়ার সঙ্গে জড়িতদের জন্য সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড এবং পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিলে ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিং-কেও গুরুতর অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড অথবা এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে কার্যকর থাকা The Public Gambling Act, 1867 দেড় শতাধিক বছরের পুরোনো আইন। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অনলাইন জুয়া, স্পোর্টস বেটিং, ভার্চ্যুয়াল ক্যাসিনো, ক্রিপ্টোকারেন্সিভিত্তিক জুয়া এবং ডিজিটাল আর্থিক জালিয়াতি মোকাবিলায় বিদ্যমান আইন যথেষ্ট নয়।
তিনি আরও বলেন, ভিপিএন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভুয়া মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট, বায়োমেট্রিক জালিয়াতি ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত জুয়া ও অর্থ পাচার দেশের সামাজিক শৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং তরুণ সমাজের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।
সরকারের মতে, আধুনিক প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে জুয়ার ধরন ও পরিসর ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। তাই জনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক ক্ষতি প্রতিরোধ এবং তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে সময়োপযোগী ও সমন্বিত আইন প্রণয়ন প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
নতুন আইন কার্যকর হলে অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর অভিযান আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।