পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় এক দশম শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীর আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় অভিযুক্তকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত জলিলুর রহমান কুয়াকাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ওই শিক্ষার্থীকে বাসায় ইংরেজি বিষয়ে প্রাইভেট পড়াতেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। পরে তাদের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও জলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ উঠেছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম জানান, অভিযোগ ওঠার পর গত সোমবার চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তের প্রাথমিক প্রেক্ষাপটে জলিলুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে প্রায় তিন মাস আগে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র (টিসি) দেওয়া হয়েছিল।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় একটি অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থী জড়িত থাকায় তার পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্য গোপন রাখা হয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
https://slotbet.online/