নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বিভিন্ন জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের পাশাপাশি উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য ৩০ জন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে দেশের ৬৪ জেলার দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সাংবিধানিক ও আইনগত সংস্থার ক্ষমতা খর্ব না করে সরকারের সার্বিক কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আহমেদ সোহেল মঞ্জুরকে বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন মো. রাজীব আহসান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রিসভা দেশের বিভিন্ন জেলার উন্নয়ন বরাদ্দ, দুর্নীতি, অর্থের অপব্যবহার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং দুর্নীতি নির্মূলের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট জেলার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে সরকারি দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারবেন। এর মধ্যে প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো:
বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠির দায়িত্ব পাওয়ায় এসব জেলার আইনশৃঙ্খলা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে আরও সমন্বিত তদারকি তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে বরিশাল নগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক, অপরাধ, অবৈধ দখল ও উন্নয়ন প্রকল্পের মান নিয়ে নজরদারি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, দায়িত্বপ্রাপ্তরা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কিংবা অন্য কোনো সাংবিধানিক সংস্থার আইনগত ক্ষমতা খর্ব করতে পারবেন না।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: দেশের বিভিন্ন জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের পাশাপাশি উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের হুইপদের দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।
এর অংশ হিসেবে বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন আহমেদ সোহেল মঞ্জুর। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে দেশের ৬৪ জেলার দায়িত্ব ৩০ জন সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে বণ্টন করা হয়।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সাংবিধানিক ও আইনগত সংস্থার ক্ষমতা খর্ব না করে সরকারের সার্বিক কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আহমেদ সোহেল মঞ্জুরকে বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠি জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এদিকে বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন মো. রাজীব আহসান।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গঠিত মন্ত্রিসভা দেশের বিভিন্ন জেলার উন্নয়ন বরাদ্দ, দুর্নীতি, অর্থের অপব্যবহার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দুর্নীতি নির্মূলকে বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট জেলার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে সরকারি দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারবেন।
এর মধ্যে রয়েছে—
১. আইনশৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণ:
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ, গুরুতর অপরাধ দমনসহ জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া।
২. উন্নয়ন ও জনকল্যাণ:
সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম তদারকি ও পরামর্শ দেওয়া।
৩. জেলা পর্যায়ের সভায় অংশগ্রহণ:
প্রয়োজনে দায়িত্বপ্রাপ্তরা সংশ্লিষ্ট জেলার বিভিন্ন জেলা পর্যায়ের সভায় অংশগ্রহণ করে পরামর্শ দিতে পারবেন।
বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠির দায়িত্ব পাওয়ায় এসব জেলার আইনশৃঙ্খলা, মাদক নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে আরও সমন্বিত তদারকি তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বিশেষ করে বরিশাল নগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক, অপরাধ, অবৈধ দখল, উন্নয়ন প্রকল্পের মান এবং সরকারি সেবার স্বচ্ছতা নিয়ে যেসব অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
তবে প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান কিংবা অন্য কোনো সাংবিধানিক ও আইনগত সংস্থার আইনগত ক্ষমতা খর্ব করতে পারবেন না।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এসব দায়িত্ব বণ্টনের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের তদারকি এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় আরও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্তরা ভূমিকা রাখবেন।
আরো পড়ুন:
বরিশাল সম্পর্কে আপনি কি খুঁজছেন ; দেখুন এখানে সর্বশেষ তথ্যটি
https://slotbet.online/