রাব্বি, বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশালের গৌরনদীতে ইয়াবা কেনার অভিযোগে মাইনুর হাসান মাসুম নামে এক কলেজ কর্মচারীকে আটক করে গণধোলাই দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে নিজের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, মুঠোফোন ও মানিব্যাগ ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে যান তিনি।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মাইনুর হাসান মাসুম পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর জেলার ডাসার এলাকার বাসিন্দা। তিনি খুলনার দাকোপ উপজেলার লাউডোব কৈলাশগঞ্জ সরকারি মহিলা ডিগ্রি কলেজে অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক পদে কর্মরত বলে জানা গেছে। সম্প্রতি ছুটিতে তিনি নিজ বাড়িতে এসেছিলেন।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মাসুম মোটরসাইকেলে করে খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে আসেন। তার চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় কয়েকজন যুবক পথরোধ করে তল্লাশি চালান।
এ সময় তার কাছ থেকে দুই পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা।
পরে বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের লোকজন সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে গণধোলাই থেকে বাঁচতে মাসুম মোটরসাইকেল, মুঠোফোন ও মানিব্যাগ ঘটনাস্থলে ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যান।
অভিযুক্ত মাইনুর হাসান মাসুমের বক্তব্য জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি আগে অবগত ছিলেন না। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয়দের হাতে কাউকে আটকে মারধরের ঘটনায় আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিষয়টিও সামনে এসেছে। ইয়াবা উদ্ধারের দাবিটি পুলিশি তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাচাই হওয়া প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
https://slotbet.online/