সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে কুকুরটির আকস্মিক ও আক্রমণাত্মক হামলায় পুরো উপজেলাজুড়ে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশুও রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকেই কুকুরটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিগ্বিদিক ঘুরে পথচারী ও বাড়ির আশপাশে থাকা মানুষদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালায়।
আহতদের উদ্ধার করে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।
দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. এনামুল হক জানান, সকাল থেকে একের পর এক কুকুরে কামড়ানো রোগী হাসপাতালে আসছেন।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক অভিভাবক নিরাপত্তার কথা ভেবে শিশুদের ঘর থেকে বের হতে দিচ্ছেন না। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কুকুরটিকে নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. ফরিদা সুলতানা বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন। বেওয়ারিশ কুকুরটিকে আটক ও নিয়ন্ত্রণে আনতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই একটি টিম মাঠে নামানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কুকুরটিকে শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে আনার কার্যক্রম চলছে। তবে ভ্যাকসিন সংকটের কারণে চিকিৎসা না পেয়ে আহত রোগীরা চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন।
https://slotbet.online/