নিজেস্ব প্রতিবেদক: বরিশাল মহানগরীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দ্বিতীয় দিনে অভিযান পরিচালনা করা হলেও এর নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে নবগ্রাম রোড-চৌমহনী ও সংলগ্ন লেকের পাড়ে অভিযান ঘিরে এ অসন্তোষ দেখা দেয়।
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী রোববার থেকে নগরীর চকবাজার, ফজলুল হক এভিনিউ, সদর রোড, বিবির পুকুর পাড় ও বেলস পার্ক এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলে। অনেক অবৈধ দখলদার স্বেচ্ছায় স্থান ত্যাগ করেন।
এর ধারাবাহিকতায় সোমবার নবগ্রাম রোড-চৌমহনী ও লেকের পাড়ে অভিযান শুরু হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, লেকের দক্ষিণ ও পশ্চিম পাড়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম চলাকালে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বাধা সৃষ্টি করেন। ফলে পুরো এলাকা উচ্ছেদ না করেই দুপুরের দিকে অভিযান স্থগিত করে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা ফিরে যান।
এ সুযোগে পশ্চিম ও দক্ষিণ পাড়ের অনেক অবৈধ স্থাপনা আগের মতোই রয়ে গেছে। এমনকি অপসারণ করা কিছু দোকান সামান্য স্থান পরিবর্তন করে আবার বসানো হয়েছে, যার মধ্যে সাবেরা খাতুন বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান নেওয়ার ঘটনাও রয়েছে। এতে এলাকাবাসী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চৌমহনী লেকের পশ্চিম পাড়ের রাজকুমার ঘোষ সড়কের বড় একটি অংশ এখনো অবৈধ দখলে রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি সরু হওয়ায় এবং আশেপাশে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় চলাচলে চরম ভোগান্তি হচ্ছে।
এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, কোনো অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না এবং ধাপে ধাপে সব উচ্ছেদ করা হবে।
অভিযান তদারককারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বলেন, “চৌমহনী লেক ও আশপাশ এলাকায় অভিযান চলমান থাকবে। নগরবাসীর চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে এবং নগরীর সৌন্দর্য রক্ষায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”
হেড অফিস: ৩৯ দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা।
মোবাইল : ০১৭৪২-২৮০৪৯৮, মেইল: dailybarishalsangbad@gmail.com
© 2026 বরিশাল সংবাদ | Barisal Sangbad