
অগ্রহায়নের শীতের দাপটে কাঁপছে বরিশাল।
বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল নগরীতে তাপমাত্রা নেমে এসেছে মৌসুমের সর্বনিম্ন ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। স্বাভাবিক তাপমাত্রার কাছাকাছি হলেও হালকা মেঘলা আকাশ ও মাঝেমধ্যে সূর্যের আড়াল হওয়ায় শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে। এতে ছিন্নমূল মানুষসহ সমাজের পিছিয়ে থাকা শ্রেণির দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
এর আগে গত ৩০ নভেম্বর বরিশালে তাপমাত্রা নেমেছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের প্রায় ৫ ডিগ্রি নিচে ছিল। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, নভেম্বরে বরিশালের স্বাভাবিক সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকার কথা ১৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া বিভাগের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে—
এ ছাড়া দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে ১–২টি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ডিসেম্বরের মধ্যভাগে বরিশালসংলগ্ন পশ্চিমাঞ্চলে ৬–৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
শীত বাড়ার মাঝেই দক্ষিণাঞ্চলে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটার মৌসুম। অগ্রহায়নের ভোর থেকেই মাঠে কৃষকদের দৌড়ঝাঁপ চোখে পড়ছে।
কৃষক ও কৃষিশ্রমিকরা সকাল–সন্ধ্যা ব্যস্ত সময় পার করছেন।
শীতের তীব্রতা জনস্বাস্থ্য ও ফসল—উভয় ক্ষেত্রেই কী প্রভাব ফেলবে, সে বিষয়ে নজর রাখছে কৃষি বিভাগ ও স্থানীয়রা।