বরিশাল ও বিশ্বকাপ ঘিরে সর্বশেষ আপডেট পড়ুন এখনই।

নিহত রাশেদ খান মেনন ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম প্রকৌশলী হেমায়েত উদ্দিন বাদশার ছেলে।
স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, রাশেদ খান মেননকে গ্রেপ্তার করতে কাউনিয়া থানার ৯ থেকে ১০ সদস্যের একটি পুলিশ দল তার বাসভবনে যায়।এসময় পরিবারের লোকজন জানান তিনি বাসায় নেই। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি বাড়ির পেছনের দেয়াল টপকে পালানোর চেষ্টার সময় দেয়াল পার হয়ে অপর পাশে একটি ড্রেনের স্ল্যাবের ওপর পড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবারের একটি সূত্র জানায়, দেয়াল থেকে পড়ে মাথায় আঘাত পাওয়ার পাশাপাশি তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তারা নিশ্চিত নন। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ গ্রহণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি তার স্বজন ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আতিক খান ও ফয়েজ খানকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এ অবস্থায় গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।
এ বিষয়ে কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজীব কুমার নাথ বলেন, “রাশেদ খান মেননকে খুজতে পুলিশ তার বাড়িতে যায়। তবে পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি বাসায় নেই। তখন পুলিশ সেখান থেকে চলে আসে। পারবর্তীতে উক্তব্যক্তির মৃত্যুর খবর আমরা শুনতে পাই।
তিনি আরো জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তবে ময়নাতদন্ত না হওয়ায় মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এই খবর সম্পর্কে আপনার মতামত নিচে কমেন্ট করুন এবং শেয়ার করুন।