
ভোলা-বরিশাল সেতুর বাস্তবায়নের দাবিতে টানা এক মাস ধরে আন্দোলন করে আসছে ছাত্র-জনতা। এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোলা জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আন্দোলনকারীরা। একইসঙ্গে জেলার সাত উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের কার্যালয়েও একই ধরনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বক্তারা বলেন, “ভোলা-বরিশাল সেতু আমাদের ন্যায্য অধিকার। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।” তারা আরও জানান, দাবি আদায়ে আরও বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে যদি সেতু নির্মাণের বিষয়ে সরকার দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়।
আন্দোলনকারী মেহেদী হাসান ও শরীফ হাসান বলেন,
“আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি। সেতুর দাবিতে যারা কথা বলেছেন, তারা প্রতিশ্রুতি পূরণ করেননি। দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে।”
বক্তারা আরও প্রশ্ন তোলেন—
“সেতুর উপদেষ্টা ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিলেও আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি। সেতু নির্মাণে বিলম্ব কেন?”
এর আগে, গত ৯ নভেম্বর আন্দোলনকারীরা ভোলা থেকে পায়ে হেঁটে ঢাকামুখী লংমার্চ করেন। সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও ও ভোলা করিডোর বন্ধ করে আন্দোলনকারীরা। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে তারা বারবার সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, কিন্তু এখনও কোনও নিশ্চিত ঘোষণা পাননি।
স্থানীয়রা বলছেন, ভোলা-বরিশাল সেতু বাস্তবায়িত হলে ভোলা জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের ভ্রমণ দুর্ভোগ কমে যাবে, বাণিজ্য ও যোগাযোগব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটবে।
আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন—
দ্রুত ঘোষণা না পেলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।