


বরিশাল প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে ১৮টিতে নিরঙ্কুশ বিজয়ী হয়েছে বিএনপি ও তাদের সমর্থিত প্রার্থীরা। এর মধ্যে বরিশালেই তিনটি আসন পাওয়া গেছে। এ পরিস্থিতিতে মন্ত্রিপরিষদে বরিশাল থেকে কতো সংসদ-সদস্যের জায়গা হবে, তা এখন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের আগ্রহের বিষয়।
বরিশাল থেকে নির্বাচিত ১৮ জন সংসদ-সদস্যের মধ্যে দুজনের পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে মন্ত্রণালয় পরিচালনার: বিএনপির স্থায়ী কমিটির মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন এবং দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান আলতাফ হোসেন চৌধুরী। এছাড়া পাঁচ থেকে ছয়বার সংসদ-সদস্য হওয়া নেতাদের মধ্যে আছেন মজিবর রহমান সরোয়ার, নুরুল ইসলাম মনি, জহিরুদ্দিন স্বপন, হাফিজ ইব্রাহিম, আবুল হোসেন ও ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো।
প্রথমবার নির্বাচিত হলেও রাজনীতিতে পরিচিত ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ হিসেবে আছেন জয়নাল আবেদিন ও এবিএম মোশাররফ হোসাইন। নবীন বয়সের পরীক্ষিত রাজনীতিক হিসেবে রয়েছেন রাজিব আহসান ও নুরুল ইসলাম নয়ন। এছাড়া সমমনা দল থেকে বিএনপি সমর্থিত সংসদ-সদস্য হিসেবে আছেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।
বরিশাল নাগরিক পরিষদের সদস্য সচিব ডা. মিজানুর রহমান বলেন, “নিরপেক্ষ নির্বাচনে বরিশাল প্রায় সব আসন বিএনপিকে দিয়েছে, তবে মন্ত্রিপরিষদে পাওয়ার সংখ্যা কম। এবারও চাই বরিশালকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী যথাযথ প্রতিনিধি দেওয়া হোক।” বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাদিকুর রহমান লিংকন যোগ করেছেন, “ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ৬ লেন করা, কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্র করা, ভোলা-বরিশাল সেতু স্থাপন ও বিশ্বমানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার মতো উন্নয়ন প্রাধান্য পাবে।”
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, “উজাড় করে ভোট দেওয়া বরিশালের জনগণ আশা রাখে, এবারও তাদের বিজয়ী আসনের অনুপাতে সরকার প্রতিদান দেবে।”