ব্যয়ের বিশ্লেষণ
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুয়াকাটায় সৈকত থেকে আধা কিলোমিটার দূরত্বে প্রতি শতাংশ জমির দাম প্রায় ১৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে ৮ একর জমি কিনতে খরচ হবে ১২০ কোটি টাকা। অন্যদিকে সৈকত থেকে দূরের এলাকায় জমির দাম ১০ লাখ টাকা হলে ৮ একর জমি কিনতে খরচ হবে প্রায় ৮০ কোটি টাকা।
নাগরিকদের প্রতিক্রিয়া
বরিশাল জেলা বাম গণতান্ত্রিক জোট এক বিবৃতিতে জানায়—
“শহরে পানি শোধনাগার অচল, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নেই, রাস্তাঘাট ভাঙা— এসব সমাধান না করে বিলাসবহুল রিসোর্ট কেন? নগরবাসীর করের টাকায় এমন অযৌক্তিক প্রকল্প গ্রহণ করা দায়িত্বহীনতার পরিচায়ক।”
স্থানীয় বাসিন্দা কাজী মিজানুর রহমান বলেন—
“নগরীতে এত সংকটের মধ্যেও তারা কুয়াকাটায় রিসোর্ট করতে চাইছে— এটা নাগরিক সেবার সাথে সম্পূর্ণ বেমানান।”
জেলা বাসদের সদস্যসচিব মনীষা চক্রবর্তী বলেন—
“অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে একজন প্রশাসক এত বড় বিলাসী প্রকল্প নিতে পারেন না। সরকারের অনুমোদন ছাড়া কুয়াকাটায় জমি কেনা আইনি প্রশ্নবিদ্ধ।”
বিসিসির ব্যাখ্যা
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী জানান—
“কুয়াকাটায় রিসোর্ট নির্মাণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি ২০ মার্চের মাসিক সাধারণ সভায় অনুমোদিত হয়। রিসোর্ট থেকে আয় বৃদ্ধি পাবে, যা সিটি করপোরেশনের রাজস্বে সহায়ক হবে।”











