১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৯:৩২
শিরোনাম :
বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়লেও বিট ও আটক বাণিজ্য রমরমা! বরিশালের মেঘনা নদীতে অভিযান, ১৪ জেলে আটক ‘চাঁদাবাজকে চাঁদাবাজ বলা যাচ্ছে না’—বরিশালে এনসিপির ইফতারে নাহিদ ইসলাম বরিশাল আইনজীবী সমিতি নির্বাচন ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, পুনঃতফসিলের দাবি বরিশাল জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত বরিশাল মেডিকেলে চিকিৎসা নিতে আসা শিশুকে থাপ্পড়, কর্মচারী বহিষ্কার বরিশালে গণপূর্ত দপ্তরে ছাত্রলীগ নেতার ভাইয়ের তান্ডব বরিশালে হানিট্রাপের মূলহোতা নারী আটক বরিশালে অচল ফ্রিজ পাল্টে না দেয়ায় বিএনপি নেতার ভাংচুর বরিশালে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্ত্রী’র মামলা বরিশালে ডিবির অভিযানে ‘কশাই সজল’ আটক, ধরাছোঁয়ার বাইরে মূল হোতা তপন মঠবাড়িয়া পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ, সেবা থেকে বঞ্চিত সাধারণ মানুষ বরিশালে প্রেমিকার অশ্লীল ভিডিও ধারণের অভিযোগে প্রেমিক গ্রেফতার বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে শয্যা সংকট, ভোগান্তিতে রোগীরা বরিশালে ‘হাতুড়ে চিকিৎসকের’ ইনজেকশনে যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ
🔰 এটি বরিশাল থেকে প্রকাশিত অনলাইন পত্রিকা 🔰📰

বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়লেও বিট ও আটক বাণিজ্য রমরমা!

বরিশাল সংবাদ ডেস্ক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ৮১ Time View
বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর

এস এন পলাশ: দীর্ঘদিন ধরে ঝিমিয়ে পড়েছে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম। মাদক নির্মূল কিংবা অপরাধ দমনে এই দপ্তরের ভূমিকা কমলেও থেমে নেই কতিপয় কর্মকর্তাদের বিট ও আটক বাণিজ্য। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার কারণে মাদকে সয়লাভ হয়ে গেছে বরিশাল জেলা ও মহানগরী।

নগরীর অলিগলিতে এখন হাত বাড়ালেই মিলছে মাদক। এছাড়া জেলা উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে তা ভয়াল আকার ধারণ করেছে। একসময় বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদকের বড়-বড় চালান উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করলেও গত এক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে না মাদকবিরোধী তেমন কোনো অভিযান।

অভিযোগ রয়েছে-মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বরিশাল জেলার উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিনের বিট বাণিজ্যের কারণে কমছে মাদকবিরোধী অভিযান। প্রতিটি মাদকের স্পট থেকে মাসোয়ারা তোলেন এসআই জসিম। এছাড়া মাঝেমধ্যে আটক অভিযান চালালেও টাকার বিনিময়ে আসামিদের সুযোগ-সুবিধা দেন তিনি। মাদকবিরোধী অভিযানের ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিত থাকার বিধান থাকলেও জসিম একাই অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে হাতিয়ে সময় নেয় টাকা।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিপুল পরিমাণ মাদকসহ আটক করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অল্প পরিমাণ মাদক দিয়ে চালান দেয় এই কর্মকর্তা। প্রায় দেড় বছর বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে থেকে জসিম গড়ে তুলেছেন অপরাধের স্বর্গরাজ্য। যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। জসিম বলেন, আমার বিরুদ্ধে করা সব অভিযোগ মিথ্যা। আমি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নই।

তবে সরেজমিন তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। একাধিক সূত্রে জানা যায়, ডিসেম্বর মাসে সদর উপজেলার লাকুটিয়ায় তিনশ পিস ইয়াবাসহ নয়ন নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে জসিম। তিন লাখ টাকার বিনিময়ে অল্প কয়েকটি ইয়াবাসহ নয়নকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গাঁজা কামাল ও তার পরিবারের চারজনকে ছয় কেজি গাঁজাসহ আটক করে জসিম। তবে দুই লাখ টাকার বিনিময়ে গাঁজা কামালের স্ত্রী সালমা, তার মেয়ে ও মেয়ে জামাইকে ছেড়ে দেয় সে। আর ছয় কেজির পরিবর্তে দুই কেজি গাঁজা দেখিয়ে কালামকে মামলায় চালান করে জসিম।

অভিযোগ রয়েছে-প্রতিদিন দায়িত্ব শেষে নগরীর মাদক স্পটগুলো থেকে বিট বাণিজ্যের টাকা ওঠায় সে। কাউনিয়া বিসিক মাঠের সজল ও শাওন, কাউনিয়ার জোছনা, কাগাশুরার তপনের কাছ থেকে প্রতি মাসে পাঁচ হাজার করে টাকা ওঠায় জসিম। কেডিসি এলাকার নিলু, মানিক, সোনিয়া, পারুল ও চিকা নাজুর কাছ থেকে নিয়মিত মাসোয়ারা নেয় সে। এরা সবাই গাঁজা বিক্রেতা বলে জানা গেছে। ভাটারখাল এলাকায় রয়েছে শিমু, মানিক, আনোয়ার, রুমা ও ফারুক। এদের কাছ থেকেও নিয়মিত মাসোয়ারা নেয় এই জসিম। রসুলপুর ও মোহাম্মদপুর এলাকার লিপি-পলাশ, সোহাগী, কমলা, ভাঙারি সোহেল ও শিল্পীর কাছ থেকে নিয়মিত টাকা নেয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা।

এছাড়া বাংলাবাজার এলাকার পাইকারি গাঁজা বিক্রেতা রফিকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেয় জসিম। বরিশাল জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সিরাজের হুকুমেই এসব জায়গা থেকে মাসোয়ারা তোলা হয় বলে জানান একাধিক মাদক বিক্রেতা। এসব বিষয়ে জানতে সিরাজকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। নগরবাসীর দাবি, দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের অচিরেই বরিশাল থেকে অপসারণ করা না হলে মাদক ভয়াল আকার ধারণ করবে নগরীতে।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর বরিশাল জেলা সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, সরকার মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে যে দপ্তরটি সৃষ্টি করেছে তারাই যদি কিছু টাকার জন্য মাদকের সঙ্গে আপস করে তাহলে সামনের দিনগুলোতে যুবসমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, এসব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

এসব বিষয়ে বরিশাল জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক তানভির আহমেদ খান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে, খোঁজখবর নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

অন্যদিকে বাংলা মদ বিক্রির নামে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে চলে আরেকটি রমরমা বাণিজ্য। এবিষয়ে বিস্তারিতর প্রতিবেদন আসছে ২য় পর্বে।

🚨 ব্রেকিং নিউজ: আজকের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন 🔰 ধন্যবাদ 🔰

সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি

Barisal Sangbad

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

Job advertisement in Bengali language

Please Share This Post in Your Social Media

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
ব্রেকিং নিউজ: আজকের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন 🔰 ধন্যবাদ🔰

ইউটিউবে আমরা

ই-পেপার

📰 ই-পেপার (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)

আজকের ই-পেপার

📥 PDF ডাউনলোড করুন

📢 বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন: ০১৭১৭৮৯২৬১৭📞 BSL Gents Parlour

ফেইজবুক ভিডিও

🚨 ব্রেকিং নিউজ: আজকের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সাথেই থাকুন 🔰 ধন্যবাদ 🔰
বি.দ্র: এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশওে করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।    

All Rights Reserved © 2025 বরিশাল সংবাদ

Developed By Engineerbd.net
EngineerBD-Jowfhowo