
বরিশালে স্বাস্যখাত সংস্কারের আন্দোলনের সময়ে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় এক আসামি গ্রেফতার করে পুলিশ।
এ সময় এক নারীসহ কয়েকজন আন্দোলনকারী জোরপূর্বক পুলিশের গাড়িতে উঠে বসেন। যদিও পরে তারা আবার সে”ছায় চলে যান। এ ঘটনায় শ্লীলতাহানী ও হেনস্তার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন সিএন্ডবি পোল খানা কাউন্সিল পেশকার বাড়ির মসজিদ গলির বাসিন্দা তাসমিন ইয়াসমিন।
মারধর ও শ্লীলতাহানিসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মেট্রোপলিটন কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জসহ পাঁচ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে করা মামলা দুদককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গত সোমবার বরিশাল মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মীর মো. এমতাজুল হক এ নির্দেশ দিয়েছেন বলে বেঞ্চ সহকারী মো. শাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন। মামলার আসামিরা হলেন- কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান, ডিবিপুলিশ পরিদর্শক সগীর হোসেন, কোতয়ালী মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলাম, স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাসিম বাইজিদ ও কনস্টেবল বিশ্বজিৎ।
এছাড়াও এ মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়। এবিষয়ে ডিবির পরিদর্শক সগীর হোসেন বলেন, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলার এক আসামি গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় ওই নারীসহ ৫/৬ জন জোর করে পুলিশ পিকআপে ওঠে। তাদের গ্রেফতার করা হয়নি। তারা স্বেছায় চলে গেছে।