
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে কার্যকারিতা পরীক্ষা করার সময় জনতার হাতে দুই যুবক আটক হয়েছেন। এ সময় হাতবোমাভর্তি ব্যাগ নিয়ে এক যুবক পালিয়ে যায়।
শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করবেন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের চরমালিয়া গ্রামের জয়ন্তী নদীর উত্তর পাড়ে এ ঘটনা ঘটে।
আটক যুবকেরা হলেন—সফিপুর ইউনিয়নের উত্তর পাতারচর গ্রামের কাঞ্চন ব্যাপারীর ছেলে সোহাগ ব্যাপারী (২৩) এবং আনছার খানের ছেলে রুবেল খান (২২)। পালিয়ে যাওয়া যুবক একই গ্রামের ফারুক রাড়ীর ছেলে পলাশ রাড়ী (২৬)।
স্থানীয় চরমালিয়া গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হাকিম ফকির জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলে তিন যুবক চরমালিয়া বাজারের কাছে এসে দুটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। বিকট শব্দে বাজারসহ আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় জনতা ধাওয়া দিয়ে মোটরসাইকেলসহ দুই যুবককে আটক করে। এ সময় এক যুবক দুটি ব্যাগ হাতে নিয়ে পালিয়ে যায়। আটক যুবকদের দাবি অনুযায়ী, ওই ব্যাগে শতাধিক হাতবোমা ছিল।
আটক যুবক সোহাগ ব্যাপারী পুলিশকে জানান, তিনি ও পলাশ রাড়ী দুটি ব্যাগে হাতবোমা নিয়ে উত্তর পাতারচর এলাকায় ফিরছিলেন। চরমালিয়া বাজারের কাছে পৌঁছে হাতবোমাগুলো কার্যকর আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে দুটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ সময় জনতা তাদের আটক করে।
তবে সোহাগ ব্যাপারীর দাবি, হাতবোমাগুলো কী উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।
মুলাদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মমিন হোসেন বলেন, আটক যুবকেরা হাতবোমা বহন ও বিস্ফোরণের মাধ্যমে পরীক্ষা করার কথা স্বীকার করেছেন। পালিয়ে যাওয়া যুবককে আটক এবং হাতবোমাগুলো উদ্ধারে পুলিশের অভিযান চলছে।