
বরিশাল নগরীর কাউনিয়া জানকি সিংহ রোডের হরিজন (সেবক) কলোনীতে শারদীয় দুর্গাপূজায় আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পূজা মণ্ডপটি কলোনীর সামনেই স্থাপন করা হলেও এর ভেতরে প্রকাশ্যে বাংলা মদ বিক্রি হওয়ায় দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, পূজা চলাকালে কলোনীর বিভিন্ন স্থানে অবাধে মদ বিক্রি হচ্ছে। এতে পূজা দেখতে আসা নারী-পুরুষ, পরিবার ও শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
পূজা মণ্ডপে পুলিশ সদস্য না থাকায় কেবল কয়েকজন আনসার দিয়ে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এসব আনসার সদস্যরা অনেক সময় দায়িত্ব পালনকালে ডিউটি ড্রেস পরেন না। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কলোনী থেকে কিছু যুবক মদ্যপ অবস্থায় মণ্ডপের গেটে অরাজকতা সৃষ্টি করলে দর্শনার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে কলোনীর রানা নামের এক যুবক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এদিকে এ বিষয়ে জানতে কাউনিয়া হরিজন কলোনীর পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক খোকন কুমার দাসকে ফোন দেয়া হলে তিনি সাংবাদিককে প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে বলেন,”আপনার যা ইচ্ছা করেন, এখানে কোনো মদ বিক্রি হয় না।”অবশ্য তার এই বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো: রিয়াজ হোসেন
বলেন,”আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অন্যদিকে পূজা চলাকালে নিরাপত্তা জোরদার করা এবং কলোনীতে অবৈধ মদ বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উল্লেখ্য, হরিজন (সেবক) কলোনীর সদস্যদের মদ্যপানের অনুমতি থাকলেও বিক্রির কোনো অনুমোদন নেই। প্রকাশ্যে মদ বিক্রি সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত কাজ।
এবিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন আসছে…..