০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ৯ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বরিশালে স্বর্ণ-ফোন আত্মসাৎ, বাবা-ভাইসহ মালয়েশিয়া প্রবাসী গ্রেপ্তার

সহকর্মীর পাঠানো স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন তার স্বজনদের ফেরত না দিয়ে আত্মসাতের চেষ্টার মামলায় জাবেদ হোসেন ইমন (২০) নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসীকে তার বাবা ও ভাইসহ গ্রেপ্তার হয়েছে।

শনিবার (২৯ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান।

বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ লামচরি গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন- বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ লামছড়ি গ্রামের বাসিন্দা খলিলুর রহমান প্যাদা (৪৫), তার মালয়েশিয়া প্রবাসী ছেলে জাবেদ হোসেন ইমন (২০) ও অপর ছেলে মো. কাউসার (২৩)।

মামলার বাদী হলেন ঢাকার নবাবগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম।

search

সহকর্মীর স্বর্ণ-ফোন আত্মসাৎ, বাবা-ভাইসহ মালয়েশিয়া প্রবাসী গ্রেপ্তার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

সহকর্মীর স্বর্ণ-ফোন আত্মসাৎ, বাবা-ভাইসহ মালয়েশিয়া প্রবাসী গ্রেপ্তার
বরিশাল: সহকর্মীর পাঠানো স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন তার স্বজনদের ফেরত না দিয়ে আত্মসাতের চেষ্টার মামলায় জাবেদ হোসেন ইমন (২০) নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসীকে তার বাবা ও ভাইসহ গ্রেপ্তার হয়েছে।

শনিবার (২৯ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান।

 

বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ লামচরি গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।

 

গ্রেপ্তাররা হলেন- বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ লামছড়ি গ্রামের বাসিন্দা খলিলুর রহমান প্যাদা (৪৫), তার মালয়েশিয়া প্রবাসী ছেলে জাবেদ হোসেন ইমন (২০) ও অপর ছেলে মো. কাউসার (২৩)।

মামলার বাদী হলেন ঢাকার নবাবগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম।

মামলার বরাত দিয়ে ওসি আসাদুজ্জামান জানান, মামলার বাদীর ফুফাতো ভাই ফয়সাল আহমেদ শুভ্র ৬ বছর ধারে মালয়েশিয়া থাকেন। মালয়েশিয়ায় ইমন ছিলেন তার সহকর্মী।

গত ২২ জুন তিনি দেশে ফেরেন। শুভ্র তার কাছে ৯৩ দশমিক ৯৮ গ্রাম ওজনের ৮ লাখ ৮৩ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার ও একটি দামি মোবাইল ফোন পাঠান। সেই মালামালগুলো হজরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাদী আরিফুল ইসলামের সংগ্রহ করার কথা ছিল। সেগুলো সংগ্রহ করার জন্য ২৩ জুন আরিফুর ইসলাম বিমানবন্দরে অবস্থান করলে ইমন কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান।পরে ইমনের ঠিকানা সংগ্রহ করে লামচরি গ্রামে যান আরিফুল ইসলাম। ইমনের বাড়িতে গিয়ে স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন চাইলে তিনি সেগুলো এয়ারপোর্টে আসা স্বজনকে দিয়ে দিয়েছেন বলে জানান। তখন আরিফুল ইসলাম কাউনিয়া থানায় মামলা করেন।

মামলার সূত্র ধরে পুলিশ দুই ছেলেসহ বাবাকে গ্রেপ্তার করে এবং আত্মসাৎকৃত মালামাল উদ্ধার করে। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।

ট্যাগস :

Add

আপলোডকারীর তথ্য

Barisal Sangbad

বরিশাল সংবাদের বার্তা কক্ষে আপনাকে স্বাগতম।