০১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ৫ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অবশেষে দক্ষিণাঞ্চলে স্বস্তির বৃষ্টি

অবশেষে দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টির দেখা মিলেছে। গত মাসের শেষের দিকে ঘূর্ণিঝড় রিমাল অতিক্রমের পর দক্ষিণাঞ্চল ছিল প্রায় বৃষ্টিহীন। দীর্ঘদিন বৃষ্টিহীন থাকায় তীব্র গরমে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল উপকূলীয় বরিশাল ও খুলনা অঞ্চলের জনজীবন।

যদিও সিলেট, রংপুর অঞ্চলে ছিল উল্টো চিত্র। টানা ভারী বর্ষণে অচল হয়ে পড়েছে সিলেট অঞ্চল।

এরই মধ্যে মঙ্গলবার সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে ভারী (একদিনে ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতিভারী (একদিনে ৮৯ মিলিমিটারের বেশি) বৃষ্টির সতর্কতা জারি করে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও বৃষ্টি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দেয় সংস্থাটি।

মঙ্গলবার দক্ষিণাঞ্চলে মেঘের আনাগোনা বাড়ছিল। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে ভ্যাপসা গরম চরম আকার ধারণ করে। ফ্যানের নিচেও দরদর করে ঘামছিল মানুষ।

বুধবার দিনের আলো ফুটতে না ফুটতেই শুরু হয় মেঘের গর্জন। ঘন মেঘে ছেয়ে যায় পুরো আকাশ। এরপর শুরু হয় বৃষ্টি, মুহুর্মুহু মেঘের গর্জন। পটুয়াখালীসহ আশেপাশের অঞ্চলে সকাল সাড়ে ১০টায়ও বৃষ্টি হচ্ছিল।

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বিবি আয়েশা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মাছুয়াখালী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল গাফফার বলেন, গত মাসের শেষের দিকে ঘূর্ণিঝড় রিমাল আমাদের এই এলাকা অতিক্রম করে। তখন বৃষ্টি হয়েছিল। এরপর এখন পর্যন্ত ছিল বৃষ্টিহীন। জীবন প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছিল। ফ্যানের বাতাসেও কাজ হচ্ছিল না। গত কয়েকদিন ধরে গরমে আমাদের ঘুম নেই। সেই বহু আকাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি হচ্ছে আজ। মানুষ তো স্বস্তি পেয়েছেই; গাছপালা পশুপাখিরও কষ্ট কমেছে।

ট্যাগস :

Add

আপলোডকারীর তথ্য

Barisal Sangbad

বরিশাল সংবাদের বার্তা কক্ষে আপনাকে স্বাগতম।