


বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি : ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার বোরহানগঞ্জ বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে পক্ষিয়া ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর আমির হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে ভোলা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. ফজলুল করিমের পক্ষে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট চেয়ে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বোরহানগঞ্জ বাজার এলাকায় পৌঁছালে মিছিলের পেছনে থাকা জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন কর্মীর সঙ্গে পক্ষিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিলের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
এক পর্যায়ে বাকবিতণ্ডা হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং তা দ্রুত দুই পক্ষের সংঘর্ষে গড়ায়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ও নৌবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পক্ষিয়া ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. হারুন অর রশিদ অভিযোগ করে বলেন, মিছিলের পেছনে থাকা কর্মীদের সঙ্গে প্রথমে কথা কাটাকাটি হলেও বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছিল। এ সময় পক্ষিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম মাতাব্বরের উসকানিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে জামায়াতের অন্তত ৩ জন কর্মী আহত হন।
অন্যদিকে পক্ষিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম মাতাব্বর বলেন, জামায়াতে ইসলামীর মিছিলের পেছন থেকে ছাত্রদলের নেতা শাকিল হাওলাদারকে উদ্দেশ্য করে উসকানিমূলক মন্তব্য করা হয়। এতে তিনি প্রতিবাদ করলে জামায়াত নেতাকর্মীরা তাকে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গেলে তাকেসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্তত ৬ জন নেতাকর্মী আহত হন।
এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ও নৌবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।