


পিরোজপুর সদর প্রতিনিধি : পিরোজপুর-২ (কাউখালি, ভাণ্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) সংসদীয় আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত মাহমুদ হোসেন ভিপি মাহমুদের নির্বাচনি প্রচারণায় হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে তার নির্বাচনি ক্যাম্পে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ভিপি মাহমুদ অভিযোগ করে বলেন, হামলাকারীরা তার নির্বাচনি অফিসে ঢুকে চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে। এ সময় তার কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার ছারছীনা দরবার শরীফে পির সাহেবদের মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন। জিয়ারত শেষে তিনি স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত তার নির্বাচনি ক্যাম্পে উপস্থিত হন। এ সময় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহমদ সোহেল মঞ্জুর সুমনের কিছু সমর্থক অতর্কিতভাবে তার নির্বাচনি ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ভিপি মাহমুদের দাবি, তার নিরাপত্তায় দায়িত্বে থাকা দুইজন পুলিশ সদস্যের সামনেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরে হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে পরে পুলিশ প্রহরায় তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী আহমদ সোহেল মঞ্জুর সুমনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্য ও স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী কামাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত ব্যক্তি মাহমুদ হোসেন দলীয় ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে সভা করছিলেন—এমন খবর তিনি শুনেছেন। এতে স্থানীয় কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। তবে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি দাবি করেন।
ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত চলছে বলে জানা গেছে।